ইসরায়েল কর্তৃক ফিলিস্তিনে চলমান নৃশংস ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিবাদ জানিয়ে মজলুম ফিলিস্তিনিদের পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতারা। সোমবার ফিলিস্তিনি যুবকের ডাকা ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি সফলের আহ্বান জানান তারা। এ ছাড়া, সারা দেশে ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি এবং বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়।
রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুরে গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ আন্দোলনের দুই সংগঠক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং এ বি জোবায়ের এই কর্মসূচি সফল করতে প্রতিটি বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান। পরে এই কর্মসূচি সফলের আহ্বান জানিয়ে নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি আবু সাদিক কায়েম। পরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও এই কর্মসূচি সফলের আহ্বান জানানো হয়।
কর্মসূচি অনুযায়ী আজ সোমবার বিকেল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘MARCH For Palestine’ এর আহ্বানে সংহতি এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় । একই সঙ্গে সারা দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই কর্মসূচি পালনের আহ্বানে সাড়া দেয় সারা দেশ ।

নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রনেতা এবি জোবায়ের বলেন, আগামীকাল (সোমবার) বিশ্বব্যাপী হরতাল পালনের আহ্বান জানিয়েছে আমাদের মজলুম গাজাবাসী ভাইবোনেরা। গণহত্যা বন্ধ করার দাবিতে বিশ্বের সব দেশে একযোগে স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি, অফিস, আদালত সব বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে তারা। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আগামীকাল ৭ এপ্রিল সারাদিন বাংলাদেশেও জেনারেল স্ট্রাইক পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। আগামীকাল আপনারা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, অফিস-আদালত বন্ধ রাখুন৷ ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করুন। চলুন বৈশ্বিকভাবে একযোগে দাবি জানাই, ফ্রি ফ্রি ফিলিস্তিন।
সাদিক কায়েম বলেন, ইয়া গাযযাহ! তোমাদের শাহাদাত ও লড়াইয়ের প্রতি আমাদের সংহতি। বি-ইযনিল্লাহ, অচিরেই আমরা তোমাদের লড়াইয়ে শামিল হবো। গাজার প্রতি বৈশ্বিক সংহতির অংশ হোন। আগামীকাল সোমবার, ৭ এপ্রিল ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’- এই কর্মসূচি সফল করুন।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক রেজওয়ান আহমেদ রিফাত বলেন, ‘MARCH For Palestine’ এর আহ্বানে আগামীকাল ৭ এপ্রিল বাংলাদেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বিরুদ্ধে এবং স্বাধীন ফিলিস্তিনের দাবিতে সংহতি সমাবেশ করার আহ্বান জানান তিনি । কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে বিকাল ৪টায় সংহতি এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় । যথা সময়ে সকল ছাত্র ছাত্রীদের সমন্বয়ে বিভিন্ন শ্লোগানে সমাবেশ উদযাপিত হয় |
ফিলিস্তিনে চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে ৭ এপ্রিল সারা বিশ্বব্যাপী হরতাল পালন করা হয় । একই সঙ্গে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের কার্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় । সারা বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের উদ্দেশ্যে কাঁধে কাঁধ রেখে সারাদেশের মানুষ তাদের জনসংহতি জানায় |




















